শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

স্বাধীনতার চরাচর : ওক্তাবিও পাস

কবির ভূমিকা, কবির সামাজিকতা ও কবিতার সমান্তরাল চলন, এইসব প্রশ্ন হয়ত আমাদের সকলকেই, মানে যারা কবিতায় সম্পৃক্ত তাদের বিব্রত করেছে বা রেখেছে। আমরা যদি আমাদের প্রথম কবিতা জগতে আসার সময়টা মনে করি দেখব শুধু কয়েকটা নামকেই আমরা কবি হিসেবে চিহ্নিত করতাম আর সেই সব নামেদের একটা সামাজিক ভূমিকা ও বক্তব্য ছিল। কিন্তু কবিতা জগৎ যে বস্তুত বহুত্বময়, বস্তুত এক সমান্তরাল দুনিয়া, খানিকটা আন্ডারওয়ার্ল্ডই বলা যায়, তা আমাদের দৃষ্টিপথের বাইরে থাকে। এবং সেইসব কবিদের সামাজিক ভূমিকা একেবারেই গুরুত্ব রাখে না বৃহত্তর মানসে কারণ সেই কবির নাম খবরের কাগজে নেই। এইবার আরও একটু সৎ প্রশ্ন করি, যে মানুষের কবিতা পড়ে না শুধু কবি নামে চেনে কয়েকটা ছবি তাদের কি সত্যি কবির খবরের কাগজের মতামতে কিছু আলোড়ন হয়? তাহলে আবার সেই প্রশ্নে ফেরত আসা, কবির কি সামাজিক ভূমিকা আছে? 

এই প্রশ্ন আমাকে নিয়ে যায় ওক্তাবিও পাস (Octavio Paz) এর কাছে। এক বিরল কবি যিনি ভাবনাকে বিরাট গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর ছয় খণ্ডে সমাপ্ত রচনাবলির মাত্র এক খণ্ড কবিতা চার খণ্ড প্রবন্ধ । বাকি এক খণ্ড অনুবাদ ও অগ্রন্থিত লেখা অথচ তাঁর পরিচয় সর্বাগ্রে কবি।  কবি জীবনের সমস্ত দ্বিধা দ্বন্দকে তিনি খুলে দিয়েছেন সকলের সামনে। এনেছেন জ্ঞানচর্চার গুরুত্ব। আর এইখানেই তিনি অনেকের কাছেই একুশ শতকের কবিতা কেমন হবে তার প্রথম রূপকার। 

কী সেই ভূমিকা? পাসের তরুণ কবি ও ঔপন্যাসিক বন্ধু আলবের্তো রুই সানচেস (Alberto Ruy Sánchez; আলবের্তোর লেখক পরিচয় না হয় আপাতত বিশ্বকোষ দিয়েই মিটুক, শুধু এটুকু জানাই তাঁর ডক্টোরাল থিসিস এর গাইড ছিলেন রোলঁ বার্থ)  আমাকে স্পষ্ট করে দেন সেই ভূমিকা এক কফির আড্ডায়।তারপর হাতে আসে তাঁর বিস্ময়গ্রন্থ “ওক্তাবিও পাস এর ভূমিকা”। 

অতি তরুণ পাস ছিলেন কমিউনিস্ট। প্রথাগত পড়া ছেড়ে গিয়েছিলেন গ্রামে। আবিষ্কার করেছিলেন মেহিকো নামক দেশটির জটিল আত্মা। তার নানা স্তর। কলম্বাস-পূর্ব সভ্যতার সঙ্গে ঔপনিবেশিক চিরদ্বন্দ্বে দীর্ণ এক দেশ। পরে স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় সেখানে গিয়েও লেখেন বিল্পবী কবিতা। কিন্তু সেই সময় থেকেই তাঁর মধ্যে ঢুকে যায় প্রশ্ন। একনায়কতন্ত্রের প্রতি। তা সে সর্বহারার হোক বা মিলিটারিই হোক। এবং এই দ্বন্দ্ব থেকে তিনি আবিষ্কার করে নেন আসলে সর্বহারার একনায়ক কেউ নন। সকলেই একধরণের স্বঘোষিত নেতা। এবং সমস্ত রকমের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যাবার সিদ্ধান্তে উপনীত হন। মনে রাখতে হবে সেই ১৯৩০ এর দশকে নিজেকে কমিউনিস্ট না বলা ২০২০ সালে  রামের জয় বলার চেয়েও ভয়ঙ্কর। কারণ বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে মার্ক্সবাদের সামাজিক প্রয়োগ নিয়ে তীব্র আদিখ্যেতা।  পরে স্তালিনের কীর্তি ফাঁস এবং তারও পরে রাশিয়ার চেকোস্লোভাকিয়ার রাজধানী প্রাগ দখল করা (১৯৬৮), মিলান কুন্দেরা নামক ঔপন্যাসিকের আগমন ইউরোপীয়দের মার্ক্সবাদকে শুধুমাত্র এক অর্থনৈতিক তত্ত্ব হিসেবে দেখতে শুরু করায়। কিন্তু লাতিন আমেরিকা ও মেহিকো আমাদের পশ্চিমবাংলার মত। সেখানে তখন মার্ক্সবাদী একনায়কের বিরোধিতা করা মানে সি আই এর চর। কিন্তু ওক্তাবিও পাস পিছু হটেন নি। নির্মোহ লিখে গেছেন প্রবন্ধ। ফিদেল কাস্ত্রোর উপর থেকে মোহ সরে গেলে পাসের কাছে আবার ফিরে এসেছে হারানো অনেক বন্ধুত্ব। একইরকম নির্মোহ দেখিয়েছেন বাজারের স্বরূপ। বারবার মনে করিয়েছেন কবির কাজ আঙুল তুলে দেখানো। সেখানে মতাদর্শের চাপ লেখাকেই নষ্ট করে। সাহিত্যকে সেইসময়ের আদর্শে শুধুমাত্র সামাজিকতার আয়না ইত্যাদি কথার তীব্র বিরোধিতা করেন। সাহিত্যকে শুধুমাত্র সামাজিক দলিল হিসেবে দেখা আর কন্সটেবলের ছবি থেকে বোটানি শেখা একই ব্যাপার। কবিজীবনের যে সমস্ত প্রাত্যহিক প্রশ্ন, অর্থাৎ কবিতা কী, অর্থাৎ কেন লেখা, অর্থাৎ কেন পাঠক নেই বা বাজার নেই, অর্থাৎ কবিতার প্রকরণ ও কাজ — এই সমস্ত কিছু তিনি তুলে এনেছেন কবিতা সংক্রান্ত প্রবন্ধের তিনটি বইয়ে। দীর্ঘ ব্যবধানে লেখার ফলে কবিজীবনের নানা বয়সের দ্বন্দ্বের মুখ এই তিনটি বইকে যে কোনও কবিতানবিশের অবশ্যপাঠ্য করে তুলেছে। কবির পক্ষে গণতন্ত্র কেন এক জরুরি সমাজ ব্যবস্থা, শুধু কবি কেন সকলের পক্ষেই, তা বোধহয় এখন অন্ততঃ কেউ প্রশ্ন করবেন না (অতি-তরুণ-সদ্যবিপ্লবী-কলেজকলিজা বা একেবারে ধর্মান্ধের মত মানুষ ছাড়া)। লাতিন আমেরিকার লেখকদের মধ্যে এই গণতন্ত্রের আনয়ন  হল সেখানকার চিন্তা জগতে ওক্তাবিও পাস এর প্রধান কাজ। যদিও পাস গণতন্ত্রের বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে শুধু বাম ও দক্ষিণপন্থী স্বৈরাচারী পুরুষমুখ গুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন জীবদ্দশায়,  কিন্তু ক্ষমতার জন্য লোভের কথা স্মরণ করিয়েছেন বারবার। আর সেই দেখার উপর  ভিত্তি করে কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা বা মার্কিন দেশের ক্ষমতায় আসার অন্যান্য গণিত সহজে বোঝা যায়। আর বোঝা যায় কোনও বিশেষ মতবাদের ঠুলি ছাড়া স্বাধীন চোখে দুনিয়া দেখা ও দুনিয়ার শিল্পকর্মে মন দেওয়াই শিল্পীর কাজ, তাতে সত্যনিষ্ঠ হওয়া যায়। আমরা আদ্যন্ত বামপন্থী আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কথাতেও পাই এই মতের প্রতিধ্বনি। 

সত্যনিষ্ঠ হবার কাজে পাস বারবারই ভেঙে দিয়েছেন কবিতার প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা। কবিতা বলতে আমরা যে ধরণের কথা সহজে বুঝি সেই পাঠাভ্যাসে অনেকটাই বদল এনেছিলেন — আর এই বদলের পিছনে ছিল পরাবাস্তবাদীদের সঙ্গে সরাসরি থাকা। সেই বাম ও দক্ষিণে জল অচল পারি শহরের যুদ্ধান্ত ও ১৯৪০ এর দশকের শেষার্ধ। পাস আবিষ্কার করে নিয়েছিলেন এক তৃতীয় শিবিরকে। বৃদ্ধ পরাবাস্তববাদী দল। স্বয়ং ব্রতঁ। পাস বারবার বলেছেন বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মননান্দোলন এই পরাবাস্তবতা। স্বাধীনতার চাবি। কল্পনা ও আঙ্গিকের উপরে সমাজবাস্তববাদের হাত ফেরতা ডগমা থেকে মুক্তি। আর সেই মুক্তির টানেই তিনি এমন কিছু আজ করলেন যা আমাদের এই ২০২০-র কবিতাবাজদের হাত কাঁপবে। লিখলেন যৌথ কবিতা। লিখলেন দৃশ্যকবিতা। এবং যৌথ কবিতায় বলে দিলেন না কোন অংশটা কার লেখা। 

এলেন ভারতে, ভারতে এসে যদিও মজে রইলেন প্রাচীনে। সমসাময়িক কোনও কিছুই তাঁর দৃষ্টি সেভাবে টানেনি। যেহেতু কোথাও সেইভাবে পাসীর সিনেমা প্রীতির কথা জানা যায় না তাই হয়ত বলা যায় তিনি তেমনভাবে সিনেমা দেখতেন না তাই তাঁর ভারতবাসকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা পথের পাঁচালি তাঁর নজরে পড়েনি। কিন্তু ভারতীয় দৃশ্যপট তাঁর মাথায় গেঁথে ছিল। শুধু তাঁর “পুব দিকের ঢল” নামক কবিতাবইটি নয় জীবনের শেষ প্রান্তেও থেকে গেছে তার ছাপ। এখানে যে বইটি নিয়ে বলতে চাইছি সেটি এক দীর্ঘ কবিতা। দীর্ঘ কবিতা কবিতার এমন এক জঁর যা আলাদা করে দীর্ঘ প্রবন্ধের অবকাশ রাখে, পাসের নিজেরই সুদীর্ঘ প্রবন্ধ আছে। 

ওক্তাবিও পাস সারাজীবন জ্ঞানভিক্ষু। দীর্ঘ কবিতায় সেই জ্ঞাত ও অধিত বিষয়ের চূর্ণ মিশিয়ে দেওয়া যায় বলে তাঁর বিশ্বাস। তিনি যখন সূর্যপ্রস্তর লিখলেন তখন আবিষ্কার করলেন নিজের মেহিকানো পরিচয়ের মূল। তার ইতিহাস ভূগোল ও দার্শনিক ছাপ।  আবার জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে লিখলেন আরও দীর্ঘ এক টানা গদ্যে লেখা ১৪০ পৃষ্ঠার কবিতা “বৈয়াকরণ হনুমান”। এই সেই কবিতা যেখানে তাঁর স্মৃতির ভারত ও কেমব্রিজ মিশছে। এখানে পাস আর কোনও প্রথাগত বিভাজন মানছেন না। তিনি তার আগে বহুবারই গদ্যে কবিতা লিখেছেন ভেঙে দিয়েছেন ইস্পানো কবিতা সমালোচকদের অভ্যেসের অক্ষরবৃত্ত সুলভ এন্দেকাসিলাবো নামক ছন্দ। এখানে তিনি মেশালেন তাঁর অধিত বিদ্যার চূর্ণ। ভাঙলেন পাঠককে টানার যাবতীয় ছল। যদিও তিনি কোনওদিনই পরোয়া করেননি এসবের। তবুও এ-বই যেন সমস্ত রকমের বাজার প্রবণতাকে অস্বীকার করে। অস্বীকার করে স্পেনীভাষার কবিতার পাঠাভ্যাসকে। রেখে যান একুশ শতকের কবির জন্য বীজ, যার সামনে আর পাঠকের লোভ নামক কোনও কুসংস্কার নেই। আছে এক দীর্ঘ চর্চার পরিসর। 

শুধু দীর্ঘ কবিতা নয়, চিন ও জাপান থেকে আহৃত নানা ছোট কবিতার ফর্ম নিয়েও কাজ করেছেন। নিজের দীর্ঘ কবিতা থেকে দীর্ঘ কবিতার মধ্যেকার যাত্রায় রেখে গেছেন ছোট কবিতার খেলা। আসলে পাসের কাছে কবিতা কখনও বদ্ধ কোনও আঙ্গীকের কাছে নতি স্বীকার নয়, বরং বারবার নিজেকে ভাঙার খেলা। পুব দিকের ঢল, সালামান্দ্রা, অন্তরে বৃক্ষ, প্রভৃতি কবিতার বইতে রেখেছেন তাঁর দীর্ঘ ছোট কবিতার আঙ্গীক চর্চার ফল। এবং সারাজীবনই পরাবাস্তব চিত্রকল্প নির্মাণে তাঁর দক্ষতা ও পক্ষপাত লক্ষ্যনীয়। এই নির্মাণে মিশেছে কখনও তানকা কখনও হাইকু বা কখনও বৌদ্ধদর্শনাধিত পরিমিতি। শব্দ বুননের ক্ষেত্রে পরাবাস্তব-স্বাধীন জ্ঞান ও সংস্কারহীনতা। এই তীব্র ভাঙনের কবি ও ভাবুক ওক্তাবিও পাস আমাদের সামনে রেখে যান মাথা না বিক্রি করা স্বাধীনতার মুক্ত ভাষা চরাচর। 

ইংরেজি অনুবাদে লভ্য ওক্তাবিও পাসের গ্রন্থ তালিকা 

Poetry
Lloyd Mallan, “A little Anthology of Young Mexican Poets,” in New Directions 9, (1947) (first translation of Paz’s poetry in English).
Sun Stone, trans. Muriel Rukeyser. London & N.Y.: New Directions, 1962.
Sun Stone, trans. Peter Miller. Toronto: Contact Press, 1963.
Selected Poems, trans. Muriel Rukeyser. Bloomington: Indiana University Press, 1963.
Piedra de Sol: The Sun Stone, trans. Donald Gardner. York, England: Cosmos Publications, 1969.
Aguila o sol? Eagle or Sun?, trans. Eliot Weinberger. N.Y.: October House, 1970.
Configurations, various translators. N.Y.: New Directions, and London: Cape, 1971.
Renga: A Chain of Poems, trans. Charles Tomlinson. N.Y.: George Braziller, 1972 (collaborative poem written with Tomlinson, Jacques Roubaud, & Edoardo Sanguineti).
Early Poems: 1935-1955, various translators. N.Y.: New Directions, 1973, and Bloomington: Indiana University Press, 1974.
3 Notations/Rotations. Cambridge, Mass.: Carpenter Center for the Visual Arts, Harvard University, 1974 (limited edition with graphic designs by Toshihiro Katayama).
Blanco, trans. Eliot Weinberger. N.Y.: The Press, 1974 (limited edition with “illuminations” by Adja Yunkers).
Eagle or Sun?, trans. Eliot Weinberger, N.Y.: New Directions, 1976 (new version).
A Draft of Shadows and Other Poems, ed. & trans. Eliot Weinberger, N.Y.: New Directions, 1979 (additional translations by Mark Strand & Elizabeth Bishop).
Selected Poems, ed. Charles Tomlinson, Middlesex, England: Penguin Books, 1979 (various translators).
Airborn/Hijos del Aire, trans. Charles Tomlinson. London: Anvil Press, 1981 (collaborative poem written with Tomlinson).
The Monkey Crammarian, trans. Helen Lane. N.Y.: Seaver Books, 1981.
Obsidian Butterfly, trans. Eliot Weinberger. Barcelona: Ediciones Poligrafa, 1983 (limited edition, with artwork by Brian Nissen).
Selected Poems, ed. Eliot Weinberger. N.Y.: New Directions, 1984 (various translators).
The Four Poplars, trans. Eliot Weinberger. N.Y.: The Red Ozier Press, 1985 (limited edition with woodblock by Antonio Frasconi).
Homage and Desecrations, trans. Eliot Weinberger. N.Y.: The Red Ozier Press, 1987 (limited edition with artwork by Richard Mock).
Prose
The Labyrinth of Solitude, trans. Lysander Kemp. N.Y.: Grove Press, 1961.
Marcel Duchamp, or the Castle of Purity, trans. Donald Gardner. London: Cape Goliard, and N.Y.: Grossman, 1970.
Claude Lévi-Strauss: An Introduction, trans. J.S. Bernstein & Maxine Bernstein. Ithaca: Cornell University Press, 1970.
The Other Mexico: Critique of the Pyramid, trans. Lysander Kemp. N.Y.: Grove Press, 1972.
Alternating Current, trans. Helen Lane. N.Y.: Viking Press, 1973.
The Bow and the Lyre, trans. Ruth L.C. Simms. Austin: University of Texas Press, 1973.
Children of the Mire: Poetry from Romanticism to the Avant-Garde, trans. Rachel Phillips. Cambridge, Mass.: Harvard University Press, 1974.
Conjunctions and Disjunctions, trans. Helen Lane. N.Y.: Viking Press, 1974.
The Siren and the Seashell, and Other Essays on Poets and Poetry, trans. Lysander Kemp & Margaret Seyers Peden. Austin: University of Texas Press, 1976.
Marcel Duchamp: Appearance Stripped Bare, trans. Rachel Phillips & Donald Gardner. N.Y.: Viking Press. 1978.
The Labyrinth of Solitude, trans. Lysander Kemp, Yara Milos, & Rachel Phillips Belash. N.Y.: Grove Press, 1985 (expanded edition containing other works).
One Earth, Four or Five Worlds: Reflections on Contemporary History, trans. Helen Lane. N.Y.: Harcourt Brace Jovanovich, 1985.
On Poets and Others, trans. Michael Schmidt. N.Y.: Seaver Books, 1986.
Convergences: Selected Essays on Art and Literature, trans. Helen Lane. N.Y.: Harcourt Brace Jovanovich, 1987

তথ্যসূত্র 

https://www.nobelprize.org/prizes/literature/1990/paz/biographical/

Facebook Comments

Hits: 341

Related posts

2 Thoughts to “স্বাধীনতার চরাচর : ওক্তাবিও পাস”

  1. সোহেল ইসলাম

    বাহ ,দারুন তো,খুব ভালো বিষয় নির্বাচন।নেশা ধরিয়ে দিয়ে অপেক্ষা বাড়িয়ে দিল…

    1. ANIMIKH PATRA

      ধন্যবাদ জানবেন।

Leave a Comment