ব্রাজিলের কেক, ব্রাজিলের মিষ্টি

ডিসেম্বর মাস পড়তেই ব্রাজিলে “কেকের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়’ হয়ে উঠেছে। দোকানে রঙিন বাক্সতে মোড়া বাহারি কেকের পসরা  চারিদিকে। কেকদের রাজত্বে বাকি সব  কিছুই ঢাকা পড়ে যায়।কিছু কেক ছবির মত সুন্দর। সাদা বুড়ির চুল দিয়ে নকল বরফ, চিনি দিয়ে গোলাপ বা ভ্যান গগের স্টারি নাইট  এমন সব শৌখিন কেক দেখে কেটে খেতেও ইচ্ছা করে না মনে হয় তাদের না ছুঁয়ে, না ঘেঁটে দূর থেকে সৌন্দর্য উপভোগ করি। শৌখিনতার সাথে যেহেতু বিত্তবানের একটা সম্পর্ক আছে তাই বেশিরভাগ ব্রাজিলিয়ানরা নিজের সাধ্যমত  বাড়িতেই কেক বানায় যাকে বলে  পানেতোনি। আড়ম্বরহীন  খুব সাধারণ কেক কিন্তু ভিতরে…

Read More

এথেনার দেশ—এথেন্সে

পায়ের তলায় সর্ষে চলল ভোলা রইলো ঝোলা এই ভেবে বেরিয়ে পড়তে পারলে আর কোনো চিন্তাই থাকে না। ডেস্টিনেশন গ্রীস ও টার্কি। মার্চ মাসের কোনো এক সন্ধ্যায় অফিস থেকে বাড়ি  ফিরছিলাম, অটোয় বসে অনন্ত অপেক্ষা অন্য যাত্রীদের জন্য। বসন্ত নেমে আসা হলুদ হ্যালোজেনের আলোর সাদার্ন এভিনিউ, কাছের বন্ধুরা যে যার মতো বেড়াতে গেছে, কোনো পিছুটান না রেখেই আমিও মাথার মধ্যে প্ল্যান বানাতে থাকলাম। দু তিন বছর আগে আমি আর অদ্রীশ ভেবেছিলাম যাব, আমাদের সেই অসম্পূর্ণ ইচ্ছের বাস্তব রূপ দিতে। পৃথিবীর ইতিহাসের আদিতম রূপকে চিনে নিতে। লিস্টে ছিল রোম, গ্রীস আর ইজিপ্ট।…

Read More

গন্তব্য এখন উরুগুয়াই

প্লাতা নদী – ছলাৎ ছলাৎ জলের শব্দে মাতোয়ারা চারিদিক। জলের আওয়াজ কোথা থেকে শুরু, কোথায় শেষ কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। দৃশ্যের পর দৃশ্য জুড়ে ধু ধু অন্ধকার। অন্ধকারের অন্তরঙ্গ থেকে ফুটে উঠেছে রঙ বেরঙের কতগুলি আলোর বিন্দু। কখনও তা উজ্জ্বল আবার কখনও ঝাপসা। অনেকটা বেশি পাওয়ারের চশমা পড়লে যেমন দেখতে পাই। প্লাতা নদীর ধার বরাবর রয়েছে কাঠের রাস্তা। আমার পা ফেলার আওয়াজ ছলাৎছলাৎ শব্দের সাথে মিশে যাচ্ছে। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে , চোখ গোল্লা গোল্লা পাকিয়ে, ঈষৎ ঝুঁকে, দেখে নিলাম, কাঠের তক্তার নীচে কি আছে ? যদি ভেঙ্গে যায় কোথায় গিয়ে…

Read More