কালিম্পং পর্ব

  “আমার আনন্দে আজ একাকার ধ্বনি আর রঙ, জানে তা কি এ কালিম্পঙ।” ১. বাস্তবে ব্রজেন, সিনেমায় ব্রাউন    পাহাড়ি সবুজের পরতে পরতে তখন শেষ শরতের ঔজ্জ্বল্য। শিলিগুড়ি থেকে রওনা হয়েছিলাম সকাল ন’টায়। কালিম্পং পৌঁছেছি তখন বেলা এগারোটা অতিক্রান্ত। বাংলার পাহাড়ের এমনিতেই একটা আপন করে নেওয়ার আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। তার উপর এই অঞ্চলে এই প্রথম। চারিদিকে একটা অভ্যর্থনার ভাব। তার উপর গত কয়েকদিনের ঝড়বৃষ্টি-ধসের পালা কাটিয়ে উঠে রোদ ঝলমলে কালিম্পং যেন নতুন রূপে আবির্ভূতা।  পরিবারস্থ অন্যান্য সকলের মধ্যে আছে আমার তেরো-বছর বয়সী অনুজ ভ্রাতা। আমার সহকারী, আমার ছায়া। মনটা কাঁচা।…

Read More

উই আর স্টিল ডেভেলপিং…

মাহেন্দ্রক্ষণ। মানে এ লেখা যখন লিখতে বসছি, ততক্ষণে বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তির উন্মোচনের পর কয়েক ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। ইতিমধ্যে উচ্চতা, বেড়, দৈর্ঘ্য, বানানোর উপকরণ, মোট খরচ, কত সময় লেগেছে ইত্যাদির ‘ভাইট্যাল’ স্ট্যাটিস্টিক্স মিডিয়ার কল্যাণে সকলেরই জানা হয়ে গিয়েছে। আপাতত শুধু খরচটাই প্রাসঙ্গিকতার দাবী রাখে। সূক্ষ হিসাব বলছে দু’হাজার নশো ঊননব্বই কোটি টাকা, রাউন্ড ফিগারে যদি ধরি, তিন হাজার কোটি টাকা। এই টাকায় আরও কী কী হতে পারত, কটা আইআইটি বা কটা সেচ প্রকল্প সবেরই তুল্যমূল্য হিসাব তৈরি হয়ে গেছে বিশেষজ্ঞদের সৌজন্যে। কিছু বিশেষজ্ঞ আবার দেখিয়েছেন, এমন একটি মূর্তি তৈরি হলে ট্যুরিজমে…

Read More